বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ০৯:০৭ অপরাহ্ন

নবম শ্রেণির ছাত্রী রিয়া খাতুন হত্যা রহস্য উদঘাটন, আসামী গ্রেফতার

ডিডিপি নিউজ ২৪ ডেস্ক
  • প্রকাশিত : বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬

 

প্রেস রিলিজ

বিষয়ঃ নবম শ্রেণির ছাত্রী রিয়া খাতুন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আসামি গ্রেফতার ও হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন সংক্রান্ত প্রতিবেদন।*

*ভিকটিম রিয়া খাতুন (১৫),* পিতা- মোঃ আজিজুল প্রামানিক, মাতা- মমতা খাতুন, সাং- পূর্ব রাঘবপুর, ইউনিয়ন- ভাড়ারা, থানা- পাবনা সদর, জেলা- পাবনা। সে স্থানীয় *মাওলানা কাসিমুদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির* ছাত্রী।

প্রাথমিক অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃত আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যমতে জানা যায় যে, একই গ্রামের বাসিন্দা মোঃ নাঈম (পিতা- মৃত কাশেম প্রামানিক, সাং- পূর্ব রাঘবপুর, থানা- পাবনা সদর, জেলা- পাবনা)-এর সাথে ভিকটিম রিয়া খাতুনের দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল।

গতকাল সকাল আনুমানিক ১১:০০ ঘটিকার সময় রিয়া খাতুন নাঈমের বাসায় বেড়াতে যায়। সেখানে উভয়ের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের একপর্যায়ে কিছু আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি শুরু হয়, যা পরবর্তীতে তীব্র বিরোধে রূপ নেয়। এক পর্যায়ে নাঈম ভিকটিমকে ধারালো চাকু প্রদর্শন করে ভয়ভীতি দেখায়। পরবর্তীতে অভিযুক্ত নাঈম রিয়া খাতুনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে বলে প্রাথমিকভাবে জানা যায়।

হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হওয়ার পর নাঈম তার সহযোগীদের ঘটনাস্থলে ডেকে আনে। সহযোগীরা হলোঃ

১। *মোঃ ইয়াসিন শেখ,* পিতা- মোঃ শফিক শেখ, সাং- পূর্ব রাঘবপুর, থানা- পাবনা সদর, জেলা- পাবনা।

২। মোঃ *তুহিন প্রামানিক (১৭* ), পিতা- মোঃ শিমুল প্রামানিক, সাং- পূর্ব রাঘবপুর, থানা- পাবনা সদর, জেলা- পাবনা।

৩। নাঈম শেখ, সাং- পূর্ব রাঘবপুর, থানা- পাবনা সদর
জেলা- পাবনা

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, তারা ঘটনাটি গোপন করার উদ্দেশ্যে ভিকটিমের মরদেহ একটি সাদা রঙের প্রাইভেটকারযোগে পদ্মা নদীর তীরে নিয়ে ফেলে আসে।

ঘটনার সংবাদ পাওয়ার পর পাবনা জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব *মোঃ ছুফি উল্লাহ মহোদয়ের সার্বিক* নির্দেশনায় জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাটির ছায়া তদন্ত শুরু করে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের লক্ষ্যে থানা পুলিশ, ডিবি এবং ডিএসবি সদস্যদের সমন্বয়ে বিশেষ টিম গঠন করা হয়।
ডিবির একটি চৌকস দল নিবিড় তদন্ত ও গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনা করে। তথ্যপ্রযুক্তি, মানব গোয়েন্দা তথ্য এবং ধারাবাহিক অভিযানের মাধ্যমে অল্প সময়ের মধ্যেই ঘটনায় জড়িত নাঈম, তুহিন ও ইয়াসিনকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়।

পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত আসামিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মরদেহ পরিবহনকারী সাদা রঙের প্রাইভেটকারটি উদ্ধার করা হয়।

ঘটনার প্রকৃত কারণ, অন্যান্য জড়িত ব্যক্তি এবং হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত রহস্য উদঘাটনের লক্ষ্যে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Copyright 2020 © All Right Reserved By DDP News24.Com

Developed By Sam IT BD

themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!