শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:২২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ ::
ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের বিরুদ্ধে আবারও গভীর ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে অবৈধ দখলদারী কুচক্রীরা —–অভিযোগ প্রেসক্লাবের জীবন নগর থানা পরিদর্শন করলেন এসপি রুহুল কবির খান আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর –পুলিশ সুপার রুহুল কবির খান কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে দরবার ও মাজারে হামলা, অগ্নি সংযোগ, পীরকে হত্যা, আহত-৩ কারাগারে বিএনপি নেতার মৃত্যু, মামলা দায়ের সকল জল্পনা কল্পনার অবসান, সোহাগ হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের নেপথ্য কারণ জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ বিশ্ব বাজারে বাড়লো তেলের দাম ইসলাম ধর্ম ত্যাগ ও হিন্দু মেয়েকে বিয়ে করায় ঈশ্বরদীতে পুত্রকে ত্যাজ্য করলেন পিতা ঈশ্বরদীতে ছাত্রদল নেতাকে গুলি ও কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা কৈকুন্ডা দরবার শরীফে তিনদিন ব্যাপী বাৎসরিক ওরশ মোবারক অনুষ্ঠিত

ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের বিরুদ্ধে আবারও গভীর ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে অবৈধ দখলদারী কুচক্রীরা —–অভিযোগ প্রেসক্লাবের

ডিডিপি নিউজ ২৪ ডেস্ক
  • প্রকাশিত : শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬

ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের বিরুদ্ধে আবারও গভীর
ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে অবৈধ দখলদারী কুচক্রীরা

———————————অভিযোগ প্রেসক্লাবের

স্টাফ রিপোর্টার #
ঐতিহ্যবাহী ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের বিরুদ্ধে আবারও গভীর ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে অবৈধ দখলদারী ও কুচক্রীরা। ২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারী অস্ত্রের মুখে ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের বেশিরভাগ সদস্যদের জিম্মি করে সন্ত্রাসী কায়দায় কমিটি দখল করে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করে টানা ৭ বছর পদ আকড়ে থাকে পতিত ফ্যাসিষ্টের একটি দালাল চক্র। ৫ আগষ্ট পরবর্তী সময় প্রকৃত সাংবাদিকদের দাবীর মুখে পদচ্যুত হয়ে অনেকটা আড়ালে থাকলেও সম্প্রতি প্রেসক্লাবের আহবায়ক কমিটি গঠন হলে কতিপয় সুবিধাবাদীদের সাথে গোপন আঁতাত করে আবারও প্রেসক্লাব বিরোধী গভীর ষড়যন্ত্রে মেতে উঠে ওই সকল অবৈধ দখলদারী ও কুচক্রীরা। যার নেতৃত্বে রয়েছেন আওয়ামীলীগ নেতা আবুল হাসেম, আব্দুল বাতেন, শেখ মহসীন, আমিরুল ইসলাম রিংকু ও মিশুক প্রধান। আর সুবিধাবাদী হিসেবে তাদের সাথে যুক্ত হয়েছেন সুমার খাঁন ও সেলিম আহমেদ। এদের মধ্যে সুমার খাঁন ও সেলিম আহমেদ বাদে ২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারী অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে দখল করা কমিটিতে সবাই গুরুত্বপূর্ণ পদপদবীতে ছিলেন।
ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের অচলাবস্থা নিরশনের জন্য প্রেসক্লাবের গঠনতন্ত্র মেতাবেক একটি আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। সেখানে উপস্থিত কার্যনির্বাহী কমিটির সকল সদস্য হাত তুলে কমিটি গঠনকে সমর্থন জানান। এরপর থেকেই নানা ষড়যন্ত্র শুরু করে পতিত ফ্যাসিষ্টের মদদপুষ্ট অবৈধ দখলদারী ও কুচক্রীরা। যার মূল নেতৃত্বে রয়েছেন আব্দুল বাতেন, শেখ মহসীন ও আমিরুল ইসলাম রিংকু।
দীর্ঘ ১৪ বছর পর ঐতিহ্যবাহী ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবে নতুন সদস্য অর্ন্তভুক্তির উদ্যোগ গ্রহণ করে বর্তমান আহবায়ক কমিটি। সেই লক্ষে স্থানীয় পত্রিকায় নতুন সদস্য অর্ন্তভুক্তির’ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে প্রেসক্লাব কর্তৃপক্ষ। এতেই নানা ষড়যন্ত্র শুরু করে প্রেসক্লাবকে সন্ত্রাসী কায়দায় জোরপূর্বক জবর দখল করা পতিত ফ্যাসিষ্টের মদদপুষ্ট অবৈধ দখলদারী ও কুচক্রীরা। দুই বছরের জন্য কমিটি দখল করলেও তারা দীর্ঘ ৭ বছর প্রেসক্লাবকে কুক্ষিগত করে রাখে। তারা ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের বর্তমান কমিটিকে অবৈধ উল্লেখ করে ফেসবুকে নানা ধরণের প্রবাগন্ডা ছড়ায়। যা প্রেসক্লাবের বর্তমান আহবায়ক কমিটির দৃষ্টি গোচর হয়। এবিষয়ে ষড়যন্ত্র কারীদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে একাধিক জনকে প্রেসক্লাবের গঠনতন্ত্র মোতাবেক সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং অন্যদের ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান বর্তমান আহবায়ক কমিটির নেতৃবৃন্দ।
সুমার খাঁন, সেলিম আহমেদ ও আমিরুল ইসলাম রিংকু তাদের ফেসবুক পেজ থেকে ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের আহবায়ক কমিটি অবৈধ এবং তাদের সকল কর্মকান্ডই অবৈধ’বলে মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছেন। তারা লিখেছেন ১২ সদস্য বিশিষ্ট অবৈধ কমিটির সকল কর্মকান্ড অবৈধ ও নিয়মনীতি পরিপন্থি’। ধরা যাক একটি সংগঠনের ৫০ জন সদস্য রয়েছে। সেখানে কমিটি তো আর ৫০ জনকে নিয়ে হবে না। নির্দিষ্ট সংখ্যক সদস্য নিয়েই কমিটি গঠন করতে হয়। ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। আর একটি কথা বিশেষ ভাবে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, বর্তমান আহবায়ক কমিটি গঠনের সময় আব্দুল মান্নান টিপুর নাম প্রস্তাব করা হলে সবার প্রথমে দুই হাত তুলে সমর্থন জানান সুমার খাঁন। এরপর অন্য সকল সদস্যরা সবাই হাত তুলে কমিটি পাশ করেন।
আমরা বলতে বাধ্য হচ্ছি ২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারী ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের প্রায় সকল সদস্যদের আওয়ামীলীগ অফিস ও প্রগতী রেস্তোরায় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে গুটি কয়েক সদস্যদের উপস্থিতি স্বপন কুমার কুন্ডু ও আব্দুল বাতেনকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করে তৎকালীন আওয়ামীলীগের নেতারা। যা ঈশ্বরদীর ইতিহাসে কালো অধ্যায় হিসেবে প্রচারিত। সেই কমিটিতে শেখ মহসীন সহ-সাধারণ সম্পাদক, মিশুক প্রধান কোষাধ্যক্ষ ও আমিরুল ইসলাম রিংকু সাংগঠনিক সম্পাদকের পদ জবর দখল করে। কমিটি দখল করে প্রেসক্লাবের বিপুল পরিমান টাকা আত্মসাৎ সহ নানা ধরণের বির্তকিত কাজ করতে থাকেন একের পর এক। সেই কমিটিকে ঈশ্বরদীর সাংবাদিকেরা অবৈধ কমিটি’ বলে অখ্যায়িত করেন। অথচ তারাই আজ প্রেসক্লাবের বর্তমান আহবায়ক কমিটিকে অবৈধ’ বলে মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছেন। যা সত্যিই দুঃখজনক।
এছাড়াও কিছুদিন পূর্বে প্রেসক্লাব বিরোধী ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে সুমার খাঁন ও আমিরুল ইসলাম রিংকু সহ পতিত ফ্যাসিষ্ট আওয়ামীলীগের পদধারী কথিত নামধারী সাংবাদিক স্বপন কুমার কুন্ডু, কে এম আবুল বাসার, আব্দুল বাতেন, শফিউল আলম বিশ্বাস, শেখ মহসীন, শহিদুল ইসলাম, আবুল হাসেম, আতাউর রহমান বাবলু গংদের নিয়ে একটি পাল্টা কমিটি গঠনেরও নীল নকশা করেন। সেখানে তারা ব্যার্থ হয়ে প্রেসক্লাবের বর্তমান আহবায়ক কমিটির বিরুদ্ধে পাবনা আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন।
ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের আহবায়ক আব্দুল মান্নান টিপু বলেন, আহ্বায়ক কমিটি প্রেসক্লাব দখল করতে দায়িত্ব নেয়নি। এ কমিটির দায়িত্ব তরুণ প্রজন্মের সাংবাদিকদের প্রেসক্লাবের অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে সুন্দর, সুষ্ঠু ও নিরপে নির্বাচনের আয়োজন করা। এজন্যই নতুনদের জায়গা করে দেয়ার জন্যই নতুন সদস্য অর্ন্তভুক্তির উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এতেই ষড়যন্ত্র শুরু করেছে সেই অবৈধ কমিটির কতিপয় সদস্যরা। আব্দুল মান্নান টিপু আরও বলেন, ইফতার মাহফিলের আড়ালে যাদের নাম অর্ন্তভুক্তির মাধ্যমে প্রেসক্লাবের বিরুদ্ধে পাল্টা কমিটি গঠনের অপচেষ্টা করা হয়েছিল সেই স্বপন কুমার কুন্ডু, কে এম আবুল বাসার, আব্দুল বাতেন, আমিরুল ইসলাম রিংকু, শফিউল আলম বিশ্বাস, শেখ মহসীন, শহিদুল ইসলাম, আবুল হাসেম, আতাউর রহমান বাবলু গংদের নেতৃত্বে ২০১৬ সালের ৫ ফ্রেবুয়ারী ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের সাধারণ সভার দিন সকল সাংবাদিকদের অস্ত্রের মুখে আওয়ামীলীগ অফিসে বন্দি করে জয় বাংলা শ্লোগান’ দিয়ে এক তরফা কমিটি গঠনের মাধ্যমে প্রেসক্লাবকে কুঙ্খিগত করা হয়েছিল। যা একটানা ৭ বছর অবৈধভাবে রাজত্ব করে তারা। সেই সময় স্বপন কুন্ডু ও বাতেন গং প্রেসক্লাবে বিএনপি মনা কয়েকজন সাংবাদিককে অন্যায় ভাবে বহিস্কার করে এবং ক্লাব উন্নয়নের লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করে। পরবর্তী কমিটির কাছে স্বচ্ছ কোন হিসাব দাখিল না করেই দ্বায়িত্ব ছেড়ে পালিয়ে যায়। ৫ আগষ্ট পরবর্তী সময়ে অনেকটা আত্মগোপনে চলে যান ওই সকল পতিত ফ্যাসিষ্ট আওয়ামীলীগের পদধারী কথিত নামধারী সাংবাদিকরা। নিজের স্বার্থ হাছিল ও প্রেসক্লাবের শীর্ষ পদকে কুঙ্খিগত করার জন্য ওই সমস্থ পতিত ফ্যাসিষ্ট আওয়ামীলীগের পদধারী কথিত নামধারী সাংবাদিকদের একত্রিত করে পাল্ট কমিটি গঠনের অপচেষ্টা করে সুমার খাঁন ও আমিরুল ইসলাম রিংকু। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের প্রকৃত সাংবাদিক ও তরুনদের সাথে নিয়েই সবকিছুই সময়মত মোকাবেলা করা হবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Copyright 2020 © All Right Reserved By DDP News24.Com

Developed By Sam IT BD

themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!