শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ ::
চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের ঈদ পুনর্মিলনী ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত ঈশ্বরদী আটঘরিয়ায় ৬মাসে ৭৫টি মাদকের মামলায় গ্রেফতার ৭৭জন, ৯৫টি মোবাইল কোর্টে সাজা প্রাপ্ত ৯৭ জন, বিপুল পরিমাণ মাদক দ্রব্য উদ্ধার পাবনা জেলার শ্রেষ্ঠ সার্কেল এসপি হলেন প্রণব কুমার পাবনা পুলিশ সুপারের ঈশ্বরদী সার্কেল অফিস, থানা ও পুলিশ ফাঁড়ি পরিদর্শন দেশের সকল পুলিশ ইউনিটকে সতর্ক থাকার নির্দেশ ঈশ্বরদীতে ৬মাসে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার, ৬৭টি মামলায় ৬৯জন গ্রেফতার, মোবাইল কোর্টে ৭৫ জনের সাজা প্রদান পাবনায় বিপুল পরিমাণ গুলি ও ধারালো অস্ত্র উদ্ধার, গ্রেফতার-২ ঈশ্বরদীর পদ্মায় নৌকা থেকে গুলিবর্ষণ, এলাকায় আতঙ্ক, পুলিশ বলছে ঘটনা ভেড়ামারা এলাকায় পরীক্ষা চলাকালে হলরুমে টিকটক, সর্বত্র আলোচনা – সমালোচনার ঝড় ঈশ্বরদীতে দাদি-নাতনি হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার দাবীতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন, রাস্তা অবরোধ, ফাঁসির আশ্বাস প্রশাসনের

ইচ্ছে থাকলে উপায় হয়, কোরবানি দেয়া যায় দশ টাকায়!

ডিডিপি নিউজ ২৪ ডেস্ক
  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ২৩ জুলাই, ২০২১

 

 

 

মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহায় সাধারণত সামর্থবানরা পশু কোরবানি দিয়ে থাকেন। কোরবানির পর পশুর গোস্তের একভাগ বিলি করা হয় হতদরিদ্রদের মাঝে। দিনভর গোস্ত সংগ্রহের পর তা পরিবারের সদস্যদের মুখে তুলে দেন নিম্নআয়ের মানুষ।

এই হত-দরিদ্ররা কোনোদিন পশু কোরবানি দেয়ার স্বপ্নও দেখে না। তাই বলে সাধ পূরণ হবে না? এ জন্য তারা গড়ে তোলেন ‘হতদরিদ্র সমিতি’। নিজেদের আয় থেকে প্রতিদিন ১০ টাকা করে জমিয়ে সেই টাকায় হয় তাদের সাধপূরণ। বছর শেষে জমানো টাকা দিয়ে তারা কেনেন কোরবানির গরু। নিজেরা আনন্দ করে মাংস বণ্টন করে নেয়ার পাশাপাশি সাধ্য অনুযায়ী এলাকার গরিবদেরও দেন সেই আনন্দের ভাগ।

কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মূল সতাল গ্রামের ১৪ জন হতদরিদ্র মানুষ এভাবেই কোরবানি দিয়ে এলাকায় অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। উল্লেখ্য এদের তিনজন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী। বাকি প্রত্যেকেই দিনমজুর।

সমিতির সভাপতি দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মাহতাব উদ্দিন জানান, পাঁচ বছর সমিতি পরিচালনা করছেন তারা। নিজেদের জমানো টাকায় প্রতিবছরই কোরবানি দেন। এবারও ৭৬ হাজার টাকা দিয়ে গরু কিনে কোরবানি দিয়েছেন। এছাড়াও সমিতির টাকা ছোটখাটো ব্যবসায় খাটানোসহ নিজেদের নানাবিধ সমস্যা সমাধানে তারা ব্যবহার করেন। এরপরও যদি জমানো টাকা থেকে যায় তাহলে সেই টাকা সদস্যদের ফেরত দেয়া হয়। ঈদের পরদিন থেকে আবারও নতুন করে টাকা জমানো শুরু করেন তারা।

‘যদি থাকে স্বজন তেঁতুল পাতায় নজন।’ উল্লেখ করে সমিতির সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘কোনোদিন চিন্তাও করি নাই নিজের টাকায় কোরবানি দিমু। তেমন সামর্থ্যও নাই। কিন্তু এই ১৪ জন স্বজনের উদ্যোগে আমরা এখন কোরবানি দেই। অহন আর কোরবানির গোস্তের লাইগ্যা অন্যের বাড়িত চাইয়্যা থাহন লাগে না।’

এ বছর কোরবানি দেয়ার পর ১০ হাজার টাকা জমা ছিল। সেই টাকা সদস্যদের মধ্যে ঈদের দিন সকালে ভাগ করে দেয়া হয়েছে বলে জানান জহিরুল ইসলাম। দেশের অন্যান্য গরিব-অসহায় মানুষ যদি এভাবে সমিতি করে টাকা জমিয়ে কোরবানি দেয় তাহলে তাদেরও আর কোরবানির মাংসের জন্য দুঃখ করতে হবে না বলে মনে করেন তিনি।

 

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Copyright 2020 © All Right Reserved By DDP News24.Com

Developed By Sam IT BD

themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!