ঈশ্বরদী(পাবনা) প্রতিনিধি।। পাবনার ঈশ্বরদীতে ফেসবুকে আত্মহত্যার ইঙ্গিতপূর্ণ স্ট্যাটাস দেওয়ার পর নিখোঁজ হওয়া রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে কর্মরত মোছা. রাফিয়া ফারজানা চৈতীকে কয়েক ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয়েছে।
জানা গেছে, তাঁর সহকর্মীরা সাঁড়া ঘাট এলাকা থেকে তাঁকে অক্ষত অবস্থায় খুঁজে পেয়েছেন স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায়। পদ্মা নদীতে ঝাঁপ দেয়ার পূর্ব মুহুর্তে মাঝি ও স্থানীয় লোকজন টের পেয়ে তাঁকে বাধা দেয় এবং বিষয়টি থানায় জানায়। থানার মাধ্যমে চৈতীর অবস্থান নির্নয় করে তাঁকে উদ্ধার করা হয়।
পরিবারের তথ্য অনুযায়ী, চৈতী রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন এবং ঈশ্বরদীর গ্রীণসিটিতে বসবাস করতেন। বুধবার সকালে পারিবারিক বিরোধের পর তিনি ফেসবুকে একটি ইঙ্গিতপূর্ণ স্ট্যাটাস দিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে যান। এরপর থেকেই তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় পরিবারের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে।
চৈতীর বাবা মজিবুর রহমান জানান, স্বামীর সঙ্গে পারিবারিক বিরোধের পর তিনি স্ট্যাটাস দিয়ে বাসা থেকে বের হন। পরে সহকর্মীরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ চালিয়ে সাঁড়া ঘাট এলাকা থেকে তাঁকে খুঁজে পান।
এদিকে বিষয়টি জানার পর পরিবারের পক্ষ থেকে ঈশ্বরদী থানায় যোগাযোগ করা হলে পুলিশও উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে।
ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ
আশাদুর রহমান জানান, ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। পরে জানা যায়, সাঁড়া ঘাট এলাকায় ওই নারী নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। এ সময় স্থানীয় মাঝি ও জেলেরা বিষয়টি দেখে তাঁকে বাধা দেন এবং আটকে রেখে পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত পরিবারের সদস্যদের অবহিত করে এবং তাঁদের ঘটনাস্থলে পাঠাই।