তবে এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে কী রয়েছে—সে বিষয়ে এখনো জানা যায়নি। এদিকে ফোরকান পলাতক রয়েছেন।
পারিবারিক কলহের জেরে স্থানীয় রাউতকোনা গ্রামে শুক্রবার (০৮ মে) গভীর রাতে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
কাপাসিয়া থানার ওসি মো. শাহীনুর আলম জানান, প্রাথমিকভাবে তিনি জানতে পেরেছেন পারিবারিক কলহের জেরে শুক্রবার গভীর রাতের কোনো এক সময় ওই পাঁচ জনকে হত্যার পর পালিয়ে গেছেন ফোরকান।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন—ফোরকানের স্ত্রী, তিন শিশু কন্যা ও শ্যালক।
আজ শনিবার (০৯ মে) ভোরে পলাতক ফোরকান নিহতের স্বজনদের মোবাইল ফোনে খুনের ঘটনা জানান। নিহতদের নাম ও বিস্তারিত তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনাস্থল ঘিরে তদন্ত চলছে এবং এ ঘটনায় প্রকৃতপক্ষে কারা জড়িত রয়েছে তা শনাক্তে কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর বিষয় হলো, বাড়ির ভেতরে যে তিনটি স্থানে মরদেহগুলো পড়ে ছিল। তার প্রতিটি জায়গাতেই মরদেহের পাশে প্রিন্ট করা কাগজ পাওয়া গেছে। এসব কাগজের সূত্র ধরে পুলিশ জানতে পারে, ফোরকান এর আগে তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে থানায় ১০ লাখ টাকা আত্মসাতের একটি অভিযোগ করেছিলেন। ওই অভিযোগপত্রে স্ত্রীর পরকীয়ার বিষয়টিও উল্লেখ করেছিলেন তিনি। মরদেহের পাশে পড়ে থাকা ওই অভিযোগের কপিগুলো থেকে এমন তথ্য নিশ্চিত করেছেন কালীগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান।