সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ১১:৪৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ ::
আশাদুর রহমান এর জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ হিসেবে স্বীকৃতি ও সম্মাননা লাভ পাবনার ভাঙ্গুড়ায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে কৃষককে মারধরের অভিযোগ, ৪ ঘণ্টা পর মৃত্যু ছাগলের জন্য প্রাণ হারালো পিতা-পুত্রসহ ৪ জন চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের ঈদ পুনর্মিলনী ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত ঈশ্বরদী আটঘরিয়ায় ৬মাসে ৭৫টি মাদকের মামলায় গ্রেফতার ৭৭জন, ৯৫টি মোবাইল কোর্টে সাজা প্রাপ্ত ৯৭ জন, বিপুল পরিমাণ মাদক দ্রব্য উদ্ধার পাবনা জেলার শ্রেষ্ঠ সার্কেল এসপি হলেন প্রণব কুমার পাবনা পুলিশ সুপারের ঈশ্বরদী সার্কেল অফিস, থানা ও পুলিশ ফাঁড়ি পরিদর্শন দেশের সকল পুলিশ ইউনিটকে সতর্ক থাকার নির্দেশ ঈশ্বরদীতে ৬মাসে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার, ৬৭টি মামলায় ৬৯জন গ্রেফতার, মোবাইল কোর্টে ৭৫ জনের সাজা প্রদান পাবনায় বিপুল পরিমাণ গুলি ও ধারালো অস্ত্র উদ্ধার, গ্রেফতার-২

ঈশ্বরদীর চাঞ্চল্যকর মিঠুন হত্যা মামলায় এক নারীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

ডিডিপি নিউজ ২৪ ডেস্ক
  • প্রকাশিত : সোমবার, ২৩ মে, ২০২২

ঈশ্বরদীর চান্চ্যল্যকর মিঠুন হত্যা মামলায় নারীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ঈশ্বরদী উপজেলা সংবাদ দাতা।।

ঈশ্বরদীর চান্চল্যকর মিঠুন হত্যা মামলায় জবা খাতুন (২৬) নামের এক নারীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ২৫ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ ২৩ মে’২২ দুপুরে পাবনার বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আহসান তারেক এ রায় ঘোষণা করেন।

 

কারাদণ্ডপ্রাপ্ত জবা খাতুন উপজেলার মুলাডুলি ইউনিয়নের আড়কান্দি পতিরাজপুর গ্রামের জালাল প্রামাণিকের মেয়ে। এ মামলার প্রধান আসামি সাগর কারাগারে মারা গেছেন।

নিহত মিঠুন (২৮) ঈশ্বরদী শহরের শৈলপাড়া এলাকার আব্দুল মজিদের ছেলে। তিনি পেশায় একজন ব্যাটারিচালিত রিকশাচালক ছিলেন।

 

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী দেওয়ান মজনুল হক রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ২০১৮ সালের ৪ আগস্ট মিঠুনের রিকশায় চড়েন জবা ও তার স্বামী সাগর। তারা ঈশ্বরদীর বিভিন্ন এলাকা ঘোরাঘুরি করেন। পর রাতে ঈশ্বরদী-পাবনা সড়কের সুগারক্রপ গবেষণার দেওয়ালের পাশে নির্জন স্থানে নিয়ে দা দিয়ে মিঠুনকে কুপিয়ে হত্যা করেন সাগর। পরে তারা মরদেহ ফেলে রেখে রিকশা নিয়ে পালিয়ে যান। ঘটনার আটদিন পরে মিঠুনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

 

এ ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করা হয়। পুলিশের তদন্তে হত্যায় জবা ও সাগর জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়। পরে অভিযুক্তরা ১৬৪ ধারায় স্বীকোরোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই বিকাশ চক্রবর্তী জানান, মিঠুন শারীরিক প্রতিবন্ধী ছিলেন। তার এক পা ছোট ছিল। আসামি জবা খাতুন স্বীকোরোক্তিমূলক জবানবন্দিতে বলেছিলেন, মিঠুন তাকে উত্ত্যক্ত করতেন। সেজন্য মিঠুনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Copyright 2020 © All Right Reserved By DDP News24.Com

Developed By Sam IT BD

themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!