ঈশ্বরদীতে ছাত্রদল নেতার রহস্যজনক মৃত্যুঃজনমনে প্রশ্ন,আত্মহত্যা নাকি হত্যা?
স্টাফ রিপোর্টার।।
ঈশ্বরদীতে ঝুলন্ত অবস্থায় ফসিউল আলম অনিক (২২) নামের এক ছাত্রদল নেতার লাশ উদ্ধার করেছে থানাপুলিশ। রোববার(১১জানুয়ারী’২৬) সন্ধ্যায় উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের দিয়াড় সাহাপুর গ্রামের একটি ভাড়া বাসা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
মৃত অনিক ঈশ্বরদী উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের দিয়াড় সাহাপুর গ্রামের মহিদুল ইসলাম রানার ছেলে।
সে ঢাকার আহসানউল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং ঢাকা মহানগর খিলগাঁও থানা ছাত্রদলের ওয়ার্ড সহসভাপতি ছিলেন বলে জানাগেছে।
থানা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পড়াশোনার সুবাদে রাজধানীতে অবস্থান করলেও সম্প্রতি অনিক নিজ গ্রামের পার্শ্ববর্তী রুহুল ড্রাইভারের বাড়িতে একটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে বসবাস করছিলেন। রোববার সন্ধ্যায় দীর্ঘ সময় ধরে তার কক্ষ থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে স্থানীয়রা বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে কক্ষের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় অনিকের লাশ উদ্ধার করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লাশ উদ্ধারের সময় দেখা যায় অনিকের ডান পা খাটের ওপর রাখা এবং বাম পা মেঝেতে স্পর্শ করা অবস্থায় ছিল। এছাড়া কক্ষের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ থাকায় এবং মরদেহের অবস্থান নিয়ে ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় নানা প্রশ্ন ও রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। হত্যা করার পর তাঁকে ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে আত্মহত্যা বলে চালানোর অপপ্রয়াস চালানো হতে পারে বলে স্থানীয়রা আশংকা করছেন।
তবে ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মমিনুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে । প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ধারণ করা সম্ভব না হলেও আত্মহত্যা বলে মনে হচ্ছে। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। আপাতত একটি ইউডি মামলা দায়ের করা হয়েছে।