ঈশ্বরদীতে মাদ্রাসা ছাত্রীকে গণধর্ষণ, দাদি ও নাতনিকে নৃশংসভাবে হত্যা
——————–
ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি।। ঈশ্বরদী উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামে মাদ্রাসা পড়ুয়া জামেলা খাতুন (১৫) ও তার দাদি সুফিয়া খাতুন (৭০) কে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দূবৃর্ত্তরা। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারী’২৬) মধ্যরাতে।
থানা ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, নিহত জামেলার পিতা জয়নাল আবেদিন খাঁ গতকাল জরুরি প্রয়োজনে ঢাকায় যাওয়ায় বাড়িতে শুধুমাত্র জামেলা ও তার দাদি সুফিয়া ঘুমিয়েছিলো। ধারণা করা হচ্ছে মধ্যরাতে স্বশস্ত্র দূবৃর্ত্তরা ওই বাড়িতে প্রবেশ করে জামেলাকে জোর করে তুলে নিয়ে যাবার চেষ্টা করে। এসময় তার দাদি সুফিয়া বাধা দিলে তাকে বাড়ির মধ্যেই ধারালো চাকু দিয়ে কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে। পরে জামেলাকে টেনেহিচরে বাড়ির অদূরে গমখেতে নিয়ে গিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করে তারা চলে যায়।
সকালে এলাকাবাসী লাশ দেখতে পেয়ে থানায় সংবাদ দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি ও আলামত জব্দের পর ময়নাতদন্তের জন্য লাশ দুটি পাবনা মর্গে প্রেরণ করে।
এ বিষয়ে ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমারকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, এব্যাপারে এখনো কোন মামলা দায়ের হয়নি তবে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। যতদ্রুত সম্ভব আসামীদের চিহ্নিত করে গ্রেফতারের ব্যবস্থা করা হবে।এদিকে সংবাদ পেয়ে পাবনা পুলিশ সুপার আনোয়ারি জাহিদ ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেন এবং এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন। তিনি এটি একটি জঘন্যতম ঘটনা বলে উল্লেখ করে জানান খুনের রহস্য উদঘাটন ও জড়িত আসামীদের চিহ্নিত করে গ্রেফতারে পুলিশের সকল টিম সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।
প্রেরকঃ এস এম রাজা
ঈশ্বরদী, পাবনা।