সরকারী প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় ঈশ্বরদীর স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সকাল প্রি-ক্যাডেট স্কুল থেকে ৩ জন মেধাবী শিক্ষার্থী বৃত্তি লাভ করেছে। বৃত্তি প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীরা হলেন কায়েস মাহমুদ সকাল, রাইয়ান কবীর রূপ ও নাফিউল ইসলাম। রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে ঈশ্বরদীসহ সারা দেশে একযোগে সরকারী প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এর আগেও সরকারী প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় সকাল প্রি-ক্যাডেট স্কুল’ থেকে একাধিক মেধাবী শিক্ষার্থী বিভিন্ন গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছিল। অন্যদিকে ঈশ্বরদী কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশন বৃত্তি পরীক্ষাতেও সকাল প্রি-ক্যাডেট স্কুল’ গত বছর ৪১ মেধাবী শিক্ষার্থী ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি লাভ করেছে।
স্কুল কর্তৃপক্ষ জানায়, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর বর্তমান সরকার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসে আবারও সরকারী প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা চালু করে। সেখানে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ৮০% এবং কিন্ডারগার্টেন স্কুলের জন্য ২০% বৃত্তির ঘোষণা দিয়ে গত ১৫, ১৬, ১৭, ১৮ এপ্রিল চারদিন ব্যাপী বৃত্তি পরীক্ষা গ্রহণ করে। সকাল প্রি-ক্যাডেট স্কুল থেকে মোট ১২ জন শিক্ষার্থী এবারের বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে। এদের মধ্যে ৩ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি লাভ করে। ২০% না হয়ে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাথে সমান সমান % হলে বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা দ্বিগুন হত বলেও মন্তব্য করেন তারা।
এবিষয়ে স্কুলের অধ্যক্ষ মোঃ হেলালুর রহমান জানান, কিন্ডারগার্টেন স্কুলের সাথে বৈষম্যমূলক আচরণ করা না হলে সকাল প্রি-ক্যাডেট স্কুলের বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা দ্বিগুন হত। দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের পর সরকারী প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষার্থীরা শেষ পর্যন্ত অংশগ্রহণ করতে পেরেছে এটাই বড় ব্যাপার। ফলাফল অর্জন বিষয়ে তিনি বলেন, যত্ন সহকারে শ্রেণী কে পাঠদান করিয়ে শিক্ষর্থীদের বিশেষভাবে তৈরি করায় এই ফলাফল অর্জন সম্ভব হয়েছে। এজন্য অবশ্য শিক্ষার্থীর অভিভাবকরাও বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
স্কুলের পরিচালক মহিদুল ইসলাম বলেন, স্কুলের সকল শিক্ষক/শিক্ষিকাদের বিচক্ষণতার সাথে দায়িত্ব পালন এবং যত্ন সহকারে পাঠদান করার কারণে এই ফলাফল অর্জন সম্ভব হয়েছে। তবে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাথে কিন্ডারগার্টেন স্কুলের বৈষম্য না রেখে সমান সুযোগে আগামীতে পরীক্ষা গ্রহণের দাবীও জানান তিনি।