শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ০৫:২৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ ::
ঈশ্বরদীতে নব জাতকের মৃত্যু, ডাক্তারসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা স্বস্ত্রীক গ্রীনসিটি রাশিয়ান মার্কেট ও লালন শাহ সেতু ঘুরে দেখলেন রাষ্ট্রপতি ঈশ্বরদীতে ডা. দিলীপ রায়ের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে পথসভা ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবে উই এর প্রেসিডেন্টের মতবিনিময় সাইকেল ছিনতাই করতে শিশুর গলা টিপে হত্যার চেষ্টা, আসামি আটক ঈশ্বরদীতে জমজম স্পেশালাইজড হাসপাতালে নবজাতক শিশু হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত দাদপুর উচ্চ বিদ্যালয় এর নবনির্বাচিত ম্যানেজিং কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত পাগলের বেশ ধরেছেন গ্রেফতারকৃত পুলিশ কনস্টেবল কাউছার সহকর্মীকে গুলি করে হত্যার পর খুণী পুলিশ বলে শালা নাটক করতাছে মাটিতে শুয়ে পুলিশ হত্যার কারন জানতে তদন্ত করছে পুলিশ —আইজিপি

রাজধানীতে পুলিশ হত্যা, পরপর ৩৮ রাউন্ড গুলি ছোড়েন কনস্টেবল কাউসার

ডিডিপি নিউজ ২৪ ডেস্ক
  • প্রকাশিত : রবিবার, ৯ জুন, ২০২৪

রাজধানীর বারিধারা ডিপ্লোমেটিক এলাকায় ফিলিস্তিন দূতাবাসের সামনে দায়িত্বরত কনস্টেবল কাউসারের ছোড়া গুলিতে নিহত হন কনস্টেবল মনিরুল ইসলাম। কাউসারের হাতে যে এসএমটি সাবমেশিনগান ছিল, সেটি ব্রাজিল থেকে আমদানি করা। এই বন্দুক থেকে ৩৮ রাউন্ড গুলি ছোড়েন কাউসার।

শনিবার (৮ জুন) রাত ১২টার দিকে বারিধারায় ফিলিস্তিন দূতাবাসের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় তারা দুজন ফিলিস্তিন দূতাবাসের বাইরে অবস্থিত পুলিশ বক্সে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঘটনার কিছুক্ষণ আগে কনস্টেবল মনিরুল ও কাউসারের মধ্যে কোনও বিষয় নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে নিজের সঙ্গে থাকা অস্ত্র দিয়ে মনিরুলকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়েন কাউসার।

 

ডিপ্লোমেটিক জোনে দায়িত্ব পালনের জন্য পুলিশ সদস্যদের হাতে ব্রাজিল থেকে আমদানি করা এসএমটি সাবমেশিনগান দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন পুলিশের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। এ অস্ত্র দিয়ে মিনিটে ৬০০ রাউন্ড গুলি করা যায়। কাউসার এই অস্ত্র দিয়ে উন্মাদের মতো ৩৮ রাউন্ড গুলি ছুড়েছেন।

এ ঘটনায় জাপান দূতাবাসের গাড়িচালক সাজ্জাদ হোসেন আহত হয়েছেন। তিন রাউন্ড গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে ইউনাইটেড হাসপাতালে পাঠানো হয়। গুলি চালানোর সময় সড়কে সাইকেল চালিয়ে যাচ্ছিলেন মনির নামে এক পথচারী। তিনিও গুলিবিদ্ধ হন। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহত সাজ্জাদ পুলিশকে জানিয়েছেন, তিনি এই সড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় দেখেন এক পুলিশ সদস্য উপুড় হয়ে পড়ে আছেন। কনস্টেবল কাউসারের কাছে এর কারণ জানতে এগিয়ে গেলে কাউসার তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। তখন গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন সাজ্জাদ।

এদিকে ঘটনার পর রাতেই ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন পুলিশের আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন, ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ পুলিশ সদর দফতর ও ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

রাত ২টা ৩০ মিনিটে আইজিপি সংবাদিকদের বলেন, ‘কনস্টেবল কাউসার আহমেদ উন্মাদের মতো এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়েছে। ঘটনাস্থল থেকে আমরা কিছু গুলির খোসা ও ২০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছি। আক্রমণকারী পুলিশ সদস্যকে নিরস্ত্র করে গুলশান থানায় নেওয়া হয়েছে। আমরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছি। মনিরুল ইসলামের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’

এক প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, ‘ঘটনার কারণ জানতে আমরা কনস্টেবল কাউসারকে জিজ্ঞাসাবাদ করবো। ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন করবো। প্রকৃত রহস্য জানাটা খুব কঠিন হবে না।’

কাউসারকে কীভাবে আটক করা হয়েছে, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ঘটনার পর কাউসার তার অস্ত্রটা রেখে ঘটনাস্থলের আশপাশে ঘোরাফেরা করছিল। তখন তাকে সেখান থেকেই আটক করা হয়।’

জানা যায়, নিহত কনস্টেবল মনিরুল ইসলামের বাড়ি নেত্রকোনা। তিনি ২০১৮ সালে পুলিশে যোগ দেন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Copyright 2020 © All Right Reserved By DDP News24.Com

Developed By Sam IT BD

themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!