মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১, ০৬:০৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ ::
ঈশ্বরদীর সাঁড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা জার্জিস হোসেনের করোনায় মৃত্যু ঈশ্বরদীতে পূর্ব টেংরি করোনা প্রতিরোধ এবং ফ্রী অক্সিজেন সরবরাহ কেন্দ্র উদ্ভোদন সারাদেশে ওয়ার্ড পর্যায়ে টিকা দেয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কথিত পাকা বাহিনীর প্রধানসহ ৪ জন আটক ঈশ্বরদীতে ৩ জুয়ারী আটক, ৪ হাজার টাকা উদ্ধার ঈশ্বরদীতে করোনায় প্রবীন সাংবাদিক আব্দুর রাজ্জাকের মৃত্যু, আক্রান্ত আরও ৭৭ জন দেশে করোনায় আরও ২২৮ জনের মৃত্যু এর আগেও এশিয়া বিপর্যস্ত হয়েছিল করোনায় ঈশ্বরদীতে আরও ৫১জনের করোনা শনাক্ত স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করায় ঈশ্বরদীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ২৭ মামলায় ১৩ হাজার ৬’শ টাকা জরিমানা আদায়

ঈশ্বরদীতে প্রতিবন্ধী ভিক্ষুক এর লাশ উদ্ধার, পরিকল্পিত হত্যার লক্ষণ

ডিডিপি নিউজ ২৪ ডেস্ক
  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ২৫ জুন, ২০২১

ঈশ্বরদীর আওতাপাড়ায় প্রতিবন্ধি ভিক্ষুকের রহস্যজনক মৃত্যু, লাশ উদ্ধার, পরিকল্পিত হত্যার লক্ষন
——-
ঈশ্বরদী (পাবনা) উপজেলা সংবাদদাতা।।
ঈশ্বরদী উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের আওতাপাড়া পশ্চিমপাড়া গ্রামে চাপা হোসেন (৩২) নামে এক প্রতিবন্ধি ভিক্ষুকের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। ঈশ্বরদী থানা পুলিশ গতকাল রাতে উল্লেখিত এলাকার জনৈক মানিক সরদারের বাড়ির একটি ঘর থেকে তার‌ লাশ উদ্ধার করে। মৃত ব্যক্তির লাশের সুরতহাল রিপোর্ট অনুযায়ী তার শরীরের অসংখ্য জায়গায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এ’থেকে ধারণা করা যায় যে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ের কারণে তাকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হতে পারে। পুলিশ ঐ বাড়ির পুত্রবধু জাহিদুল‌ সরদারের স্ত্রী সামেলা খাতুন (৩৮) কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানা হেফাজতে নিয়ে এসেছে। এলাকারবাসি ও থানা সূত্রে জানা যায় পাবনার চাটমোহরের প্রতিবন্ধি চাপা নামের ঐ যুবক ভ্যানে করে দীর্ঘদিন যাবৎ এই অঞ্চলে ভিক্ষা করতে আসতো এবং মানিক সরদারের বাড়িতে অবস্থান করতো। সামেলার স্বামী জাহিদুলের ভ্যানে চড়েই সে ভিক্ষা করে বেড়াতো। । মানিক সরদারের পুত্রবধু সামেলা খাতুনের বাবার বাড়ি মৃত চাপা হোসেনের বাড়ির পাশে বিধায় তাদের মধ্যে চেনাজানা ও আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিলো। সেই সূত্র ধরেই চাপা হোসেন দিনভর ভিক্ষাবৃত্তি করে উপার্জিত অর্থসহ সেই বাড়িতেই অবস্থান করতো। চাপা হোসেনের দৈনন্দিন আয়ের সমস্ত অর্থই সামেলা খাতুনের হেফাজতে রাখা হতো। বিপুল পরিমান জমাকৃত অর্থ সামেলা খাতুন গং আত্মসাৎ করার কারণে তাদের মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি হয়।‌ এরই জের হিসেবে কৌশলে ডেকে নিয়ে সামেলা খাতুন গং তাকে হত্যা করে গভীর রাতে লাশ গুম করার চেষ্টা করে। বিষয়টি জানাজানি হয়ে গেলে স্থানীয় জনৈক ব্যক্তি গ্রাম পুলিশ রশিদুল্লাহকে ঘটনা জানায়। তারা এক পর্যায়ে ঐ বাড়ির ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করলে তাদেরকে বাধা প্রদান করা হয়। তখন তারা থানায় ফোন করে ঘটনাটি জানালে ঈশ্বরদী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এবং অসংলগ্ন কথাবার্তা বলায় ও সংগত কারণেই জিজ্ঞাসা বাদের জন্য উক্ত সামেলা খাতুনকে থানা হেফাজতে নিয়ে আসা হয়। ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আসাদুজ্জামান লাশ উদ্ধার ও সামেলা খাতুনকে হেফাজতে নেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন এটি হত্যাকান্ডের সিমটম বহন করে। সামেলা খাতুনকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। রহস্য উদঘাটনের জোর তদন্ত চলছে। এ’সংবাদ লিখা পর্যন্ত এ’ঘটনায় মামলা দায়ের হয়নি তবে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

প্রেরকঃ এস এম রাজা
ঈশ্বরদী, পাবনা ।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Copyright 2020 © All Right Reserved By DDP News24.Com

Developed By Sam IT BD

themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!