বুধবার, ২৮ জুলাই ২০২১, ০২:২৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ ::
করোনা আক্রান্তদের জন্য ফ্রী অক্সিজেন সিলিন্ডার দেবে বন্ধুমহল’৭৬ ইউনিয়ন পর্যায়ে টিকার সুযোগ ৭ আগষ্ট থেকে —–স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ঈশ্বরদীর সাঁড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতার করোনা উপসর্গসহ স্ট্রোকে মৃত্যু ঈশ্বরদীর এসি ল্যান্ড বদলী, জংসন ডিডিপির অভিনন্দন ঈশ্বরদীতে আরও ৪৬ জন করোনা শনাক্ত ঈশ্বরদীর সাঁড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা জার্জিস হোসেনের করোনায় মৃত্যু ঈশ্বরদীতে পূর্ব টেংরি করোনা প্রতিরোধ এবং ফ্রী অক্সিজেন সরবরাহ কেন্দ্র উদ্ভোদন সারাদেশে ওয়ার্ড পর্যায়ে টিকা দেয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কথিত পাকা বাহিনীর প্রধানসহ ৪ জন আটক ঈশ্বরদীতে ৩ জুয়ারী আটক, ৪ হাজার টাকা উদ্ধার

পাবনা জেলার গ্রামাঞ্চলে কুমড়ো বড়ি তৈরিতে ব্যস্ত গৃহবধূরা, ব্যাপক চাহিদা শহরে

ডিডিপি নিউজ ২৪ ডেস্ক
  • প্রকাশিত : রবিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২০

 

মো: ইয়াছিন আলী শেখ ঈশ্বরদী পাবনা প্রতিনিধি : শীত মৌসুমের উপাদেয় খাবার কুমড়া বড়ি। পাবনার ও ঈশ্বরদী গ্রামগঞ্জে কুমড়ো বড়ি তৈরির ধুম পড়েছে। মাসকলাই ও চালকুমড়ো দিয়ে কুমড়োর বড়ি তৈরিতে নারীদের ব্যস্ততা দেখা মেলে শীতের সকালে।

মাসকলাই ভিজিয়ে রাখার পর সেটি দিয়ে ডালের আটা ও পাকা চাল কুমড়ো মিশিয়ে এ সুস্বাদু বড়ি তৈরি করা হয়।
গ্রামীণ এলাকার ৯০ ভাগ মহিলা পালা করে কুমড়ো বড়ি দেয়ার কাজটি করে থাকেন।

পাবনার ঈশ্বরদী অঞ্চলের নারীরা এই বড়ি তৈরি করতে কয়েক মাস পূর্বে থেকে চাহিদা মতো চাল কুমড়ো পাকানোর ব্যবস্থা করে থাকেন। এরপর মাসকলাই দিয়ে তৈরি করা হয় এই সুস্বাদু খাবারের অংশবিশেষ কুমড়ো বড়ি।

কুমড়ো বড়ি তৈরিতে মূলত চালকুমড়া এবং মাষকলাইয়ের ডাল প্রয়োজন হয়। মাষকলাইয়ের ডাল ছাড়াও অন্য ডালেও তৈরি হয় এ বড়ি। রোদে মচমচে করে শুকালেই এর ভালো স্বাদ পাওয়া যায়।

বড়ি তৈরির পদ্ধতি সম্পর্কে বলতে গিয়ে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার মুলাডুলি ইউনিয়নের, সরাইকান্দি গ্রামের মোছা : পারুল খাতুন.৩২ জানান, বড়ি তৈরির আগের দিন ডাল ভিজিয়ে রাখতে হয়। এরপর চালকুমড়া ছিলে ভেতরের নরম অংশ ফেলে মিহিকুচি করে রাখতে হবে। তারপর কুমড়ো খুব ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে। ধোয়া হলে পরিষ্কার পাতলা কাপড়ে বেঁধে সারা রাত ঝুলিয়ে রাখতে হবে।

পরে ডালের পানি ছেঁকে শিলপাটায় বেটে নিতে হবে। এবার ডালের সঙ্গে কুমড়া মেশাতে হবে। খুব ভালো করে হাত দিয়ে মিশাতে হবে যতক্ষণ না ডাল-কুমড়োর মিশ্রণ হালকা হয়। তারপর কড়া রোদে চাটি বা কাপড় বিছিয়ে বড়ির আকার দিয়ে একটু ফাঁকা ফাঁকা করে বসিয়ে শুকাতে হবে। বড়ি তিন থেকে চার দিন এভাবে রোদে শুকানোর পর তা অনেকদিন সংরক্ষণ করা যায়।

এ ছাড়াও ঈশ্বরদী উপজেলার রুমা খাতুন জানান,শীতের সময় মূলত বড়ি তৈরি করা হয়। নিজেরা খাওয়াসহ আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতেও পাঠানো হয়।

একই এলাকার কুমড়ো বড়ি তৈরির কারিগর খুসবু খাতুন জানান, কুমড়োর বড়ি তৈরিতে অনেক পরিশ্রম করতে হয়। রাত জেগে শীলপাটায় কেজি কেজি ডাল বাটা সহজ কাজ নয়। তবুও পেটের তাগিদে অনেক কষ্ট করে আমাদের কুমড়ার বড়ি তৈরি করতে হয়। শীত মৌসুমে এ বড়ি তৈরি করে কিছু বাড়তি আয় করা সম্ভব হয়।

উপজেলার দাশুড়িয়া বাজারে সাপ্তাহিক হাটে এই কুমড়ো বড়ি বিক্রি করতে আসা মকলেছ শেখ জানান, আমারা নিজেরাই বাড়িতে বড়ি তৈরি করে থাকি। এতে আমার স্ত্রীর সহ পাশাপাশি মেয়েরাও সহযোগিতা করেন। বড়ি শুকিয়ে গেলে সেটি আমি বিভিন্ন হাটেবাজারে বিক্রি করে থাকি।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Copyright 2020 © All Right Reserved By DDP News24.Com

Developed By Sam IT BD

themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!