আগামীকাল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট
—————————————
পাবনা-৪ আসনে ত্রিমুখী লড়াই হবার সম্ভবনা
————–
ডেস্ক রিপোর্ট ।। আগামীকাল ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ সারা দেশের ন্যায় পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনেও অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট।
এবারের নির্বাচনে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হিসেবে পাবনা-৪ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন বিএনপি, জামায়াত, সিপিবি, নাগরিক ঐক্য, জাতীয় পার্টি, ইসলামী আন্দোলন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিএনপির বিদ্রোহী) সহ মোট ৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বী।
এরা হচ্ছেন বিএনপি মনোনীত (ধানের শীষ) প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব, ১১ দল সমর্থিত জামায়াতের (দাঁড়িপাল্লা) প্রার্থী অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল, নাগরিক ঐক্য মনোনীত (কেতলি) প্রার্থী শাহনাজ হক, জাতীয় পার্টি মনোনীত (লাঙ্গল) প্রার্থী মোঃ সাইফুল আজাদ মল্লিক, সিপিবি মনোনীত (কাস্তে) প্রার্থী মোঃ সোহাগ হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত (হাতপাখা) প্রার্থী মোঃ আনোয়ার শাহ ও বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র (মোটরসাইকেল) প্রার্থী জাকারিয়া পিন্টু।
নির্বাচন কমিশন কর্তৃক তফসিল ঘোষণার পর থেকেই প্রচার প্রচারণা শুরু করেন প্রার্থীরা। তবে মনোনয়ন চূড়ান্ত হবার পর থেকেই প্রচার প্রচারণা তুঙ্গে ওঠে। সকল প্রার্থী সাধ্যমতো প্রচারে কমতি করেননি। মিছিল, মিটিং, মাইকিং, উঠান বৈঠক, লিফলেট বিতরণ, পোষ্টার লাগানো ইত্যাদি পদ্ধতিতে সকল প্রার্থীই এই আসনে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছেন।
প্রচার প্রচারণায় বিএনপি প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ প্রার্থী অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল ও বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মোঃ জাকারিয়া পিন্টু এগিয়ে রয়েছেন। সর্বাধিক সংখ্যক কর্মী সমর্থক নিয়ে রাতদিন এক করে পাবনা-৪ আসনের শহর, গ্রাম, প্রত্যন্ত এলাকা চষে বেড়িয়েছেন উল্লেখিত এই ৩ প্রার্থী। অত্যন্ত স্বল্প পরিসরে অন্য ৪ প্রার্থী প্রচারণা চালালেও মূলত ভোটের মাঠে তাদের কোন অবস্থানই নেই। বিজয় নয় নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করে নিজেদের দলের অস্তিত্ব ধরে রাখায় যেন তাদের মূল উদ্দেশ্য।
পাবনা-৪ আসনের ব্যাপক এলাকা ঘুরে ভোটারদের সাথে একান্ত আলাপচারিতার মাধ্যমে যতটুকু জানা গেছে তা হলো বিএনপি, জামায়াত ও স্বতন্ত্র ৩জন প্রার্থীরই ভোট রয়েছে মাঠে। কেউ কাউকে পাশ কাটিয়ে বেড়িয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা নেই যেন। সামগ্রিক অবস্থা পর্যবেক্ষণে এই সংবাদ লিখা পর্যন্ত যদি কাকতালীয় কোন পরিবর্তন না হয় তাহলে বিএনপি, জামায়াত ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে ত্রিমুখী লড়াই হবার সম্ভবনায় বেশি।